১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত
মানব কথা: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার বিষয়ের সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ২টার দিকে ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার বিষয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও এলডিপি।
সমঝোতা অনুযায়ী, ১৯০ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়বেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এ জোটে ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা নিয়ে ৪৫টি ও এনসিপি শাপলা কলি নিয়ে ২৫ থেকে ৩০টি আসনে লড়বে। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫টি, খেলাফত মজলিস ছয়টি, এলডিপি ছয়টি, এবি পার্টি দুটি, বিডিপি দুটি এবং খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাগপা একটি করে আসন পাবে বলে জোটের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
জোট সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের ‘সম্মানজনক’ সংখ্যক আসন দাবির বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় মূলত কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আট থেকে ১০টি আসন নিয়ে জটিলতা সবচেয়ে বেশি, যেখানে একাধিক দলের শীর্ষ ও জনপ্রিয় নেতারা একই আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী। আসন সমঝোতায় যদি শেষ পর্যন্ত ঐকমত্য না হয়, তবে কিছু আসনে ‘ওপেন ইলেকশন’ বা উন্মুক্ত নির্বাচন হতে পারে। বিশেষ করে যেসব আসনে জোটভুক্ত দুই বা তিনটি দল সমপরিমাণ শক্তিশালী এবং কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ, সেসব আসনে এ পথ বেছে নেওয়া হতে পারে।













