যুদ্ধ ও উত্তেজনা পেরিয়ে বিশ্বকাপের মাঠে ইরান
স্পোর্টস ডেস্ক: যুদ্ধ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কূটনৈতিক উত্তেজনা ও ভিসা জটিলতার কঠিন সময় পার করে বিশ্বকাপে অংশ নিতে এসেছে ইরান। মাঠের বাইরের নানা সংকটের মধ্যেও এবার সব মনোযোগ ফুটবলে রাখতে চায় দলটি।বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগের দিন ইরানের কোচ আমির গালেনোয়ি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তারা রাজনীতি নয়, ফুটবল খেলতেই এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা এখানে ভালো ফুটবল খেলতে এসেছি। মাঠের বাইরের কোনো বিতর্কে আমাদের মনোযোগ নেই। ফুটবল আর রাজনীতি এক নয়।” তবে বাস্তবতা বলছে, ইরানের যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। গত কয়েক সপ্তাহে যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এবং ভিসা সমস্যার কারণে প্রস্তুতিতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে দলটি। এমনকি শেষ মুহূর্তে অনুশীলন ক্যাম্পও সরিয়ে নিতে হয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে। এছাড়া দলের কয়েকজন সদস্য এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি বলে জানা গেছে।তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর আসে। বিশ্বকাপ শুরুর একদিন আগে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে একটি সমঝোতার ঘোষণা আসে, যা পরিস্থিতিকে কিছুটা শান্ত করে।
মাঠের বাইরের উত্তাপ এখনো পুরোপুরি কমেনি। লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরানের কট্টর সরকারবিরোধী প্রবাসীদের বিক্ষোভের ঘোষণা রয়েছে। এমনকি কোনো ধরনের সরকারবিরোধী প্রতীক বা ব্যানার দেখা গেলে দল মাঠ ছাড়তে পারে—এমন আলোচনাও রয়েছে।সব বিতর্কের বাইরে কোচ গালেনোয়ি দলকে একাগ্র রাখতে চান। তিনি বলেন, ইরান শুধু একটি দল নয়, তারা দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব ইরানির প্রতিনিধিত্ব করছে।সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘জি’-এর প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইরান। কিন্তু এই ম্যাচের আগে সবচেয়ে বড় লড়াই যেন মাঠের বাইরের অনিশ্চয়তা ও চাপ সামলানো।









