ঈদের আগে ও পরে আবহাওয়া

সময়: 10:36 am - March 30, 2025 |

মানব কথা: ঈদের আগে ও পরে সারাদেশের আবহাওয়া সাধারণত শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এখনও দেশের ৪ জেলা এবং ৩ বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সেটি কিছু কিছু এলাকায় প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও কিছু অঞ্চলে গরমের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে।

রবিবার (৩০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঈদের ৩ দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এই সময়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যদিও সিলেট ও এর আশপাশের অঞ্চলে ঈদের দিন বিকেলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এই আবহাওয়াবিদ জানান, আগামী ৩ এপ্রিল থেকে তাপমাত্রার দাপট আরও বাড়বে। এতে বর্তমান সময়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ মাঝারি থেকে ‘তীব্র’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এই সময়ে সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

এদিকে রোববার দেশের ৮ বিভাগেই তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। শনিবার বিকেলে নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তাপপ্রবাহ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে আবহাওয়াবিদ পলাশ লিখেছেন, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে খুলনা বিভাগের যশোর জেলায় ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি শনিবার দেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ৭টি বিভাগে তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (৩০ মার্চ) দেশের ৮টি বিভাগের উপরেই তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ আরও লিখেছেন, রোববার দেশের একাধিক জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। হয়তো সর্ব-কালের মার্চ মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হতে পারে রোববার। খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হতে পারে। এছাড়া রোববার ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক এই গবেষক পোস্টের শেষদিকে আরও লিখেছেন, তাপপ্রবাহের সময় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে শিশু ও বয়স্ক মানুষেরা। এই তাপপ্রবাহের সময় শিশু ও বয়স্ক মানুষদের নিয়ে দিনের বেলা ঈদের কেনা-কাটা করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকুন। কারণ, তাপপ্রবাহের কারণে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত মানুষ মৃত্যু কিংবা চূড়ান্ত রূপে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর