প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
মানব কথা: চ্যানেল ওয়ানে গত ২ মে ২০২৬ তারিখে প্রচারিত ‘৪০ কোটির বন নিজের নামে, সরকারী কর্মকর্তারাই নাড়েন কলকাঠি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাবেক জেলা প্রশাসক। তিনি দাবি করেন, প্রতিবেদনে তাকে জড়িয়ে মনগড়া, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রকৃত তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রতিবেদনে উল্লেখিত জমি কোনো সংরক্ষিত বনভূমি নয়; বরং এটি জনৈক তাসকিনা কাকলী চৌধুরীর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি। সিএস ৮৪৩ দাগের মোট ২০ দশমিক ৩২ একর জমির মধ্যে ১৬ দশমিক ৮৩ একর বন আইনের ৪ ধারার গেজেটভুক্ত হলেও অবশিষ্ট ৩ দশমিক ৪৯ একর গেজেট বহির্ভূত ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি।
প্রতিবাদে আরও উল্লেখ করা হয়, জমিটি সিএস, এসএ, আরএস ও বিআরএস রেকর্ডে ধারাবাহিকভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত সেটেলমেন্ট আপিল মামলায়ও ব্যক্তি মালিকানার পক্ষে রায় হয়েছে। সর্বশেষ রেকর্ডীয় মালিকের কাছ থেকে বৈধ দলিলমূলে কাকলী চৌধুরী জমিটি ক্রয় করেন।
সাবেক ওই জেলা প্রশাসক দাবি করেন, ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২ দশমিক ২৪ একর জমির শ্রেণী পরিবর্তনের আদেশ দেয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “এখানে বন বিভাগের কোনো রেকর্ড বা মালিকানা নেই। তাই বন বিভাগের জমি ব্যক্তি মালিকানায় দেয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারকে সেটেলমেন্ট আপিল মামলার রায়সহ ব্যক্তি মালিকানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেয়া হলেও প্রতিবেদনে সেগুলোর কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও ভূমি অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে হয়রানি ও অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগও তুলে ধরা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল এবং এর মধ্যে এক লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাও দেখানো হয়।
সবশেষে তিনি চ্যানেল ওয়ানের সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রত্যাহার এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
















