প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নৃত্য, নাট্য ও চারুকলা

সময়: 9:57 am - June 10, 2026 |

মানব কথা: প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন কারিকুলামের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা। ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে নতুন পাঠ্যবই চালু করা হবে। আর ২০২৮ সাল থেকে বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক শিক্ষার অংশ হবে।বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীরা একদিকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করবে। শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, নতুন পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি যুক্ত করার বিষয়েও কাজ চলছে।মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সালে চালু হতে যাওয়া ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবইয়ে চারটি অধ্যায়ের মাধ্যমে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলার মৌলিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে।সরকারের আশা, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং শিল্প-সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে সহায়ক হবে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর