মালয়েশিয়া সফরে শক্তিশালী সফরসঙ্গী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী
মানব কথা:মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে শুরু হওয়া এ সফরকে ঘিরে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরে কূটনৈতিক ও প্রবাসী মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করা, অনিয়মিত কর্মীদের বৈধকরণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা সহযোগিতা—এ সফরের মূল আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্র ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার) তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিনিধিদলের গঠন থেকেই স্পষ্ট—এই সফরে শ্রমবাজার পুনরায় চালু, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সফর শেষে সোমবার কুয়ালালামপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফরকালে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে সফর উপলক্ষে কুয়ালালামপুর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার পতাকা শোভা পাচ্ছে, যা দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।









