রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগে মেধা, সততা ও দেশপ্রেমই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য: অ্যাটর্নি জেনারেল
মানব কথা: রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। মঙ্গলবার সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে পরে দলীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা দুঃখজনক। পদত্যাগপত্রে যেসব কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট আইন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিফলন বলে মনে হয়। তিনি আরও বলেন, পদত্যাগপত্রে দেওয়া বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তারা পেশাদার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ অবস্থানে ছিলেন না। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “রাষ্ট্রের এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।” এর আগে মঙ্গলবার সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পৃথকভাবে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগকারী ডিএজিরা হলেন— অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং তারিকুল ইসলাম।
এছাড়া পদত্যাগকারী এএজিরা হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম এবং জাকির হোসেন।









