ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট
মানব কথা:ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবআইল কাঠেরপুল এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অবরোধের কারণে গণপরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী যানবাহন আটকে পড়ে। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থেকে অনেক যাত্রী অতিষ্ঠ হয়ে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া যাত্রীরা।পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে শ্রমিকরা তাদের দাবিতে অনড় থাকায় অবরোধ প্রত্যাহার করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, বর্তমান বাজারদরে স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এদিকে, শ্রমিকদের মজুরির দাবি ও সড়ক অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি—দুই দিক সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, “আমরা অবরোধের খবর পেয়েছি। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে গেছে পুলিশ। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।”









