ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা: ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ২ জন
মানব কথা: শনিবার রাতভর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফের কেঁপে উঠেছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল। রোমানিয়া সীমান্তঘেঁষা চেরনিভতসিসহ লভিভ ও লুৎস্ক শহরে ভয়াবহ হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
লভিভ শহরে রাশিয়ার শতাধিক ড্রোন ও ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্তত ৪৬টি আবাসিক ভবন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, আদালত এবং প্রায় ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ধ্বংসস্তূপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতভর কাজ করে ফায়ার সার্ভিস।
একই সময়ে লুৎস্ক ও চেরনিভতসিতেও বিস্ফোরণ ঘটে। পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ শহরে পরিত্যক্ত একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কয়েকটি গুদামে হামলা চালানো হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, শুধু খারকিভেই অন্তত ১০টি বিস্ফোরণ হয়েছে। জুলাই মাসে এটিই রাশিয়ার চতুর্থ বৃহৎ হামলা।
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাতে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কুরস্ক অঞ্চলের জয় পেতে সহায়তা করেছে উত্তর কোরীয় সেনারা। তিনি জানান, রক্ত ও প্রাণ দিয়ে সহায়তা করা সেই সেনাদের স্মরণে রাশিয়ায় একটি বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হচ্ছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, কিমের নির্দেশে শিগগিরই উত্তর কোরিয়া থেকে আরও ৬ হাজার সেনা রাশিয়ায় পাঠানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে এক হাজার মাইন অপসারণকারী ও পাঁচ হাজার সামরিক প্রকৌশলী।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মূল আলোচনার অংশীদার হিসেবে দেখছেন, ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নয়। ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ বন্ধে প্রধান অন্তরায় জেলেনস্কির অবস্থান।
















