ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন ও ছুটি নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত

সময়: 11:02 am - January 21, 2026 |

মানব কথা: মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য জনবলের বেতন ও ছুটি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই নীতিমালা প্রণয়নে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি কাজ করেছে। এটি চূড়ান্ত করার আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা ও ইমাম-খতিবদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা করেছে এই কমিটি। ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এসব মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই নীতিমালায় দেশের মসজিদগুলোতে খতিব ছাড়া অন্যান্য জনবলের গ্রেডভিত্তিক বেতনকাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন নির্ধারিত হবে চুক্তিপত্রের শর্তানুসারে। তবে, আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং পাঞ্জেগানা মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সিনিয়র পেশ ইমামকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৫ম গ্রেড, পেশ ইমামকে ৬ষ্ঠ এবং ইমামকে ৯ম গ্রেডে বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রধান মুয়াজ্জিনকে ১০ম, মুয়াজ্জিনকে ১১তম, প্রধান খাদেমকে ১৫তম ও খাদেমকে ১৬তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই নীতিমালায় মসজিদে কর্মরত জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় সামর্থ্য অনুযায়ী সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ কল্যাণের স্বার্থে মাসিক সঞ্চয়ের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া চাকরি শেষে এককালীন সম্মাননা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিদের ছুটিও সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়। এতে বলা হয়েছে, মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিরা কমিটির অনুমোদনক্রমে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ চার দিন সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া পঞ্জিকাবর্ষে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ও প্রতি ১২ দিনে এক দিন অর্জিত ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর