অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, ডিএমডি মিসেস রুবানা পারভীন এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বেচ্ছা চারিতা অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মিসেস রুবানা পারভীন, ডিএমডি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যিনি আওয়ামী আমলে অগ্রণী ব্যাংক ফ্যাসিস্টদেরকে ম্যানেজ করে সবার আগে পদোন্নতি গুচিয়ে নিয়েছেন। তাঁদের ব্যাচ এ সে হলো সব চেয়ে অযোগ্য নির্বাহী, অথচ তার জীবনে নেই কোন শাখা ব্যাংকিং এর অভিজ্ঞতা, নেই কোন ঋণ বিতরণ, ব্যাংকিং এর আয়-ব্যয় মূলক কর্মকান্ডের বিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা নেই। ব্যাংকের এমডি পরিবর্তন হয়ে যিনিই আসেন তাকেই সে ম্যানেজ করে নিজের পদোন্নতি ও নিরাপদ পোষ্টিং নিশ্চিত করেন। তিনি আইওয়াশ হিসেবে ঢাকার বাহিরে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে জিএম হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে যোগদান করে ৪/৫ মাস পরে আবার ঢাকায় চলে এসেছেন। ব্যাংকের সাবেক আওয়ামীলীগ মনোনীত পরিচালক শাহজাদা মহিউদ্দিন ও মঞ্জুরুল আহসান ল্যাবলু নামক ফ্যাসিস্টদের খুব কাছের মানুষ হয়েও এখন সে নিজেকে ফ্যাস্টিদের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছেন। ব্যাংকের আইটি ডিভিশনে ৮/১০ বছর চাকুরী করে তিনি ও তার ব্যাচমেট এনামুল মওলা ফ্লোরা কোম্পানীর সাথে অসম ও অস্বচ্ছ চুক্তি করে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন ঠিক তেমনি এমন অস্বচ্ছ চুক্তি করে ব্যাংকের আইটি সেক্টরকে প্রায় ধ্বংস করে ফেলেছেন। সে ও তার বন্ধু এনামুল মওলার কারণে অগ্রণী ব্যাংকের সার্ভার প্রায় অচল। ফলে মাঠ পর্যায়ে শাখার গ্রাহকগণ বিরক্ত হয়ে অন্য ব্যাংকে চলে যাচ্ছেন। অগ্রণী ব্যাংক গ্রাহকের ডিপোজিট ও গ্রাহক ব্যবসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ব্যাংকের আওয়ামীলীগ মনোনিত এমডি মোর্শেদুল কবিরকে ম্যানেজ করে নিজের ও নিজের অযোগ্য লোকদের লোভনীয় পোষ্টিং নিশ্চিত করেছেন। ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণের হার আকাশচুম্বী পর্যায়ে নিতে তার ও তার দোসরদের নেগেটিভ ভূমিকা কাজ করে যাচ্ছে।
পরবর্তীতে ৫ই আগস্ট এর পর এমডি হিসেবে নিয়োগ পান অত্র ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি আনোয়ারুল ইসলাম। যিনি খুলনা বিভাগের সন্তান ও সহজ সরল সাদা মনের সৎ ব্যাংকার তার সরলতাকে কাজে লাগিয়ে ডিএমডি রুবানা আক্তার খুলনাইজম তৈরি করে এমডি সাহেবকে মিষ্টি ভাষায় ভুল তথ্য দিয়ে নিজেকে সৎ ও যোগ্য নির্বাহী হিসেবে প্রচার করছেন। তার ব্যাচের মধ্যে সে হলো অযোগ্যদের অন্যতম এবং তার ভাব ও মিথ্যা অহংকার অনন্য। এমডি সাহেবের রুমে বসে বসে ঠান্ডা মাথায় ভুল পরামর্শ দিয়ে বিভিন্ন নেগেটিভ লোককে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোষ্টিং দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ও ব্যাংকে বদলী বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এখন অগ্রণী ব্যাংকের অঘোষিত এমডি হিসেবে প্রচার দিয়ে যাচ্ছেন। কারণ রুবানা পারভীন যা বলে সহজ সরল এমডি সাহেব কোন যাচাই বাছাই না করে তাই করে যাচ্ছে। এতে করে ব্যাংকের সর্বস্তরে স্থবিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে এবং সবাই নীরবে হাত গুটিয়ে কাজ কর্ম থেকে গতি হ্রাস করে ফেলছে। ফলশ্রুতিতে অগ্রণী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উক্ত রুবানা পারভীন ও তার বন্ধু এনামুল মওলা আইটি ডিভিশনে থাকাবস্থায় যেসব অসম ও কমিশন ভিত্তিক চুক্তি করেছিলেন তা যাতে অডিট না হয় সে কারণে তিনি অডিট ডিভিশনের ও প্রশাসন এর সকল দায়িত্ব নিজের কব্জা করেছেন। তার বন্ধু এনামুল মওলা যিনি ব্যাংক থেকে দুই বৎসর আগে অবসরে গেছেন তাকে তদবির করে চেয়ারম্যান স্যারকে ম্যানেজ করে আইটি ডিভিশনে চুক্তিভিত্তিক চীফ আইটি অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। অথচ উক্ত এনামুল মওলার আইটি বিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা বা ডিগ্রী নাই। অগ্রণী ব্যাংকের সকল নির্বাহী কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই ক্ষতিকর সিন্ডিকেট রুবানা পারভীনের হাত থেকে ব্যাংকটিকে বাঁচাতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

















