পাকিস্তানের শিক্ষা অগ্রগতিতে মুগ্ধ শিক্ষামন্ত্রী
মানব কথা: পাকিস্তানের শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, দেশটির অগ্রগতি তাকে সত্যিই অভিভূত করেছে। সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান বিনিময় করিডোর ও অ্যাডুকেশন এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ৫৫ বছর, আর পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছে ৭০ বছর। স্টলগুলো ঘুরে আমার মনে হয়েছে যেন পুরো পাকিস্তান ঘুরে এলাম। তাদের শিক্ষায় যে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত।”
তিনি বলেন, পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানে অনেক এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল স্কলারশিপের সুযোগ সৃষ্টি করাকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এহসানুল হক মিলন বলেন, “তাদের শিক্ষাব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। আমি তাদের স্বাগত জানাই, যারা বাংলাদেশে এসে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ফুল স্কলারশিপ দিয়ে তাদের দেশে নিয়ে যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও আধুনিক। সেখানে গিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান-এর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মিলের কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের খাবার ও সংস্কৃতিতে মিল থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই সেখানে মানিয়ে নিতে পারবে।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমি চাই আমাদের দেশেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এভাবে উন্নতি করুক এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে পড়তে আসুক। বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রতিযোগিতায় আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের ৬৫ শতাংশের বেশি তরুণ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের বড় শক্তি। এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে আরও অবদান রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, পাকিস্তানে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা দেশের মানসম্মান অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা অর্জন করবে এবং বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করবে।










