দীর্ঘ ৩০ বছর পর পাকিস্তানে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক দলের সফর, শিল্প-সংস্কৃতিতে নতুন সেতুবন্ধন

সময়: 10:23 am - November 3, 2026 |

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তান সরকারের ন্যাশনাল হেরিটেজ ও কালচার ডিভিশন এর আমন্ত্রণে প্রায় ত্রিশ বছর পর চারদিনের সফরে ১৬ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছায় ১৫ সদস্যের বাংলাদেশের একটি সাংস্কৃতিক দল। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটিকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ আতিথেয়তা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টেট লাউঞ্জে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক দলকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব দ্য আর্টসের (পিএনসিএ) মহাপরিচালক মোহাম্মদ আইউব জামালি। এ সময় পাকিস্তানের ন্যাশনাল হেরিটেজ ও কালচার ডিভিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি ১৬-১৯ অক্টোবর ইসলামাবাদে দু’টি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অন্যান্য কর্মসূচি ও পরিদর্শন সূচীতে অংশগ্রহণ করে।

(i) ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি,পাকিস্তান:

ইসলামাবাদের ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি (National Art Gallery) পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় আর্ট গ্যালারি। এটি পাকিস্তানের সংসদ এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবন-এর বিপরীতে একটি ছোট টিলার উপর নির্মিত। ২০০৭ সালের ২৬শে আগস্ট এটি জনসাধারণের জন্য খোলা হয়। ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি, পাকিস্তান একটি বৃহত্তর সংস্থা পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ দ্য আর্টস (পিএনসিএ)-এর অংশ। ১৮০০ বর্গগজ আচ্ছাদিত এলাকাজুড়ে ১৪টি চিত্রশালা, সংলগ্ন প্রদর্শনীর স্থান, লেকচার হল, ওয়ার্কশপ ও স্টোরেজ সুবিধা, ল্যাবরেটরি এবং একটি লাইব্রেরি নিয়ে গঠিত। চারতলা বিশিষ্ট এই গ্যালারিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যার মধ্যে ৪০০ আসন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি অডিটোরিয়াম, একটি থিয়েটার, মঞ্চ সুবিধা এবং একটি উন্মুক্ত থিয়েটার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

(ii) ইসলামাবাদ জাদুঘর:

ইসলামাবাদ জাদুঘর (Islamabad Museum) পাকিস্তানের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের একটি চমৎকার সংগ্রহশালা। এটি পরিচালনা করছে পাকিস্তানের প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর বিভাগ (Department of Archaeology and Museums। এখানে প্রাগৈতিহাসিক যুগ, মেহেরগড় ও সিন্ধু সভ্যতা, গান্ধারা শিল্পকলা, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের বিবর্তন থেকে শুরু করে মুঘল আমল এবং পাকিস্তান আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন দুর্লভ নিদর্শন প্রদর্শিত হয়। প্রবেশ হলে মুঘল আমল থেকে ১৮৫৭ সাল এবং স্যার সৈয়দ আহমদ খানের পাকিস্তান আন্দোলনের সংগ্রাম নিয়ে হস্তনির্মিত দেয়ালচিত্র/ম্যুরাল রয়েছে। এই ভবনে একটি পাবলিক লাইব্রেরি, পঠন কক্ষ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের জন্য একটি বড় অডিটোরিয়াম রয়েছে।

(iii) ফয়সাল মসজিদ:

পাকিস্তানের বৃহত্তম মসজিদ, যা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত। মসজিদটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তুর্কি স্থপতি ভেদাত ডালোকে এর ডিজাইন করেন। মসজিদটি দেখতে অনেকটা মরুভূমির বেদুঈনদের তাঁবুর মতো। সারা পৃথিবীতে এটি ইসলামাবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সৌদি বাদশাহ ফায়সাল বিন আব্দুল আজিজ এই মসজিদ নির্মাণে সমর্থন এবং অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। তাই এই মসজিদটি শাহ্ ফয়সালের নামে নামকরণ করা হয়। এই মসজিদটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। ধরন: সমসাময়িক ইসলামিক স্থাপত্য। ধারণাক্ষমতা: প্রধান এলাকায় ৭৪,০০০, সংযুক্ত এলাকায় প্রায়: ২০০,০০০। আবৃত স্থান: ৫,০০০ বর্গমিটার। মিনার: ৪টি। মিনারের উচ্চতা: ৯০ মিটার।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬:

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জাঁকজমকপূর্ণ বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব দ্যা আর্টস (পিএনসিএ)-এর আলোকচিত্র গ্যালারিতে খ্যাতনামা বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী মো: আবদুস সাত্তার এর এককচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দুইদিনব্যাপী প্রদর্শনী উদ্ভোধন করেন পাকিস্তানের ন্যাশনাল হেরিটেজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচি। এ সময় পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো: ইকবাল হোসেন খান, ন্যাশনাল হেরিটেজ ও কালচার ডিভিশনের সচিব আসাদ রহমান জিলানি এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদলের প্রধান যুগ্মসচিব মোঃ মিজানুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি উপসচিব মাকসুদা খন্দকারসহ ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলীর সদস্যবৃন্দ, সরকারী পদস্থ কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদ্যসবৃন্দ, বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ ও পাকিস্তানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে একাডেমির লেকচার হলে তরুণ শিল্পী ও শিল্পবোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বরেণ্য শিল্পী আবদুস সাত্তার ওরিয়েন্টাল চিত্রশিল্প সম্পর্কে ঘন্টাব্যাপী মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

প্রায় দু’ঘন্টাব্যাপী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় শিল্পীগণ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক নাচ এবং গানের ঝংকারে দর্শক-শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন। অনুষ্ঠানে লালনগীতি ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হয়। একক সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন নাসির, পিয়াল হাসান, মো: ইশা খান ইথুন বাবু, ও নাজনীন আক্তার (মৌসুমী চৌধুরী)। দলীয় নৃত্যে অংশ নেন খ্যাতনামা নৃত্যশিল্পী মেহবুবা মাহনুর চাঁদনি, ফারহানা চৌধুরী, আব্দুর রশিদ স্বপন ও গোলাম মোস্তফা। যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন মো: রাজু আহমেদ চৌধুরী (তবলা), মো: রাহাত আহমেদ হাসান (সিন্থেসাইজার), মো: ইকবাল হোসাইন খন্দকার (গিটার) এবং সৌরভ সাহা (অক্টাপ্যাড)। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পীরা যৌথ নৃত্য পরিবেশন করে।

পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ দ্যা আর্টস (পিএনসিএ)-এর অডিটরিয়ামে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও দর্শক-শ্রোতাগণ বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় শিল্পীদের বর্ণাঢ্য নৃত্য ও সংগীত মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় উপভোগ করেন। অভ্যাগত দর্শক-শ্রোতাগণ বাংলাদেশী শিল্পীদের চিত্রকর্ম, নাচ ও গানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

১৮ অক্টোবর, ২০২৬:

প্রতিনিধিদলের সদস্যগণ ১৮ অক্টোবর পূর্বাহ্নে ইসলামাবাদস্থ লোক বিরসা জাদুঘর পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদশের হাইকমিশনার, দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড: মুহাম্মদ ওয়াকাস সালিম সকলকে স্বাগত জানান এবং জাদুঘরের সার্বিক কার্যক্রম ও প্রদর্শনী বিষয়ে অবহিত করেন।

(i) লোক ভিরসা জাদুঘর:

এটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের শাকারপারিয়ান পাহাড়ে অবস্থিত ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি জাদুঘর। এটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফোক অ্যান্ড ট্র্যাডিশনাল হেরিটেজ দ্বারা পরিচালিত হয়। জাদুঘরটি ১৯৭৪ সালে খোলা হয়েছিল এবং ২০০২ সালে লোক বিরসা আইনি মর্যাদা অধ্যাদেশ, ২০০২ অনুযায়ী একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বেশ কয়েকটি ভবন এবং একটি বহিরঙ্গন জাদুঘর নিয়ে গঠিত যেখানে ৩০০০ জন দর্শক ধারণ করতে পারে এবং পাকিস্তানের জীবন্ত সংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়। ইরান, তুরস্ক এর কর্ণার জাদুঘরটিতে স্থাপিত আছে। জাদুঘরটি ৫,৫৭০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং এতে বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে, যা এটিকে পাকিস্তানের বৃহত্তম জাদুঘরে পরিণত করেছে। লোক বিরসাকে সাধারণত “পাকিস্তানের জনগণের জন্য জাদুঘর” বলা হয়। এটি পাকিস্তানি জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শন করে।

(iii) পাকিস্তান জাতীয় নৃতত্ব জাদুঘর:

পাকিস্তান জাতীয় নৃতত্ব জাদুঘর (বা লোক ঐতিহ্য জাদুঘর) মূলত ১৯৮২ সালে ” লোকশিল্প জাদুঘর” হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জাদুঘরটি দেশের সকল প্রান্তের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস এবং জীবন্ত ঐতিহ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে পাকিস্তানের বহুসাংস্কৃতিক সমাজকে তুলে ধরে। জাদুঘরটি ১,৮৬০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং ২০০৪ সালে এর সংস্কার ও নতুন নামকরণ করা হয়।

পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলের জীবনধারা-মূর্তি, ছবি, মৃৎশিল্প, সঙ্গীত এবং বস্ত্রশিল্পের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। লোক ভিরসা পাকিস্তানের সেরা সাংস্কৃতিক জাদুঘর। এটি এমন শিল্পকর্ম প্রদর্শন করে যা পাকিস্তানের জীবন্ত লোক ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি এবং কারুশিল্প সংরক্ষণে সহায়তা করে। এখানে সূচিকর্ম করা পোশাক, গহনা, কাঠের কাজ, ধাতুর কাজ, ব্লক প্রিন্টিং, হাতির দাঁত এবং হাড়ের কাজের বিশাল প্রদর্শনকারী ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের সম্মুখভাগও প্রদর্শিত হয়। লোক ভিরসা জাদুঘরের সংলগ্ন লোক বিরসা হেরিটেজ রেফারেন্স লাইব্রেরিটি জাতিতত্ত্ব, নৃবিজ্ঞান, লোকসংগীত, শিল্প, ইতিহাস এবং কারুশিল্পের উপর তথ্য দিয়ে সুসজ্জিত। সন্ধ্যায় লোক ভিরসা জাদুঘরের উন্মুক্ত মঞ্চে বাংলাদেশের শিল্পীরা সঙ্গীত, নৃত্য পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যাক দর্শক-শ্রোতা, গণ্যমান্য ব্যক্তিগন ও বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে। গ্যালারিভর্তি দর্শক-শ্রোতা মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন এবং বাংলাদেশী সংস্কৃতির প্রতি তাদের আকর্ষণ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬:

ইসলামাবাদে সফররত বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক দলের সম্মানে পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ দ্যা আর্টস (PNCA)-এর অডিটোরিয়ামে পাকিস্তানি শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান উপভোগ করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ন্যাশনাল হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার ডিভিশন-এর সংসদীয় সচিব সাজ্জাদ হায়দার, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মহাপরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র, ইসলামাবাদে সফররত বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক দল, বাংলাদেশি কূটনীতিকগণ, NHCD- এর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। উভয় দেশের শিল্পীদের পরিবেশনায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফুটে ওঠে। বর্ণিত সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ লক্ষ্য করা গিয়েছে, বিশেষ করে;

  • ইসলামাবাদে বাংলাদেশের এ আয়োজনকে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে;
  • (ii) সংগীত, নৃত্য ও চিত্রকলার মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ শিল্প-ঐতিহ্য পাকিস্তানের দর্শকদের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে;
  • (iii) দীর্ঘ বিরতির পর এমন আয়োজন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

(iv) পাকিস্তানের PNCA, LOK Virsa Museum, Islamabad Museum এর সাথে প্রত্বতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন-এর মধ্যেকার প্রতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর