ফ্যাসিবাদের দোসর সিফাত-ই-মরিয়ম স্বর্ন চোরা চালানের অভিযোগ পাওয়ার পরও বহাল তবিয়তে

সময়: 2:11 pm - March 19, 2025 |

মানব কথা: ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক যুন্ম কমিশনার ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর সিফাত-ই-মরিয়ম স্বর্ন চোরা চালানোর অভিযোগ পাওয়া পরও এখনও বহাল তবিয়তে ঢাকায়।

ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক যুন্ম কমিশনার বর্তমানে এনএসডাব্লিউ ডেপুটি প্রযেক্ট ডাইরেক্টর (ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো) বিচার শাখার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা কালে সিফাত-ই-মরিয়ম নানাবিধ অনিয়ম করেন এবং বেআইনিভাবে যাত্রীদের নিকট হতে আটককৃত পন্য চালান খালাস প্রদান করেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রায় ৬০ (ষাট) টি পন্য চালান(স্বর্ণবার/স্বর্ণালংকার) যা মূলত একজন যাত্রীর নিকট হতে চোরাচালানের সময় আটক করা হয়। যে পরবর্তীতে সে সকল পন্য চালানের পরিমান সাধারণ ৩০০-৫০০ গ্রাম। সাধারণত একজন যাত্রীর অনুকূলে ১১৬ গ্রাম পন্য চালান খালাসযোগ্য হলেও আপনি একজন যাত্রীর পরবর্তীতে একাধিক যাত্রীর অনুকূলে সমুদয় স্বর্ন গুলো ছাড় প্রদান করেন যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এবং পন্যচালানগুলো ছাড় প্রদান করেন এয়ারপোর্টের শিফট ইনচার্জগনের প্রতিবেদনে উপর ভিত্তি করে। যে প্রতিবেদন গুলো ছিল ভুয়া/ জাল স্বাক্ষর দেওয়া। আপনি জানার পরও যাত্রী প্রতি ১ লক্ষ টাকা নিয়ে পন্য চালানগুলো খালাস প্রদান করেন। এই সিফাত-ই- মরিয়ম ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর হওয়ার সুবাদে ঢাকা কাস্টমস্ হাউসে এ পনের বছরে চাকরি জীবনে দুই বারে পাচ বছর সহকারী কমিশনার ও যুন্ম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের দোসরদের অর্থনীতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন স্বর্ন চোরা চালান ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে। সিফাত-ই- মরিয়ম এতই ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের এতই আস্থাভাজন যে তিনি চাকরি জীবনে ঢাকার বাহিরে চাকরি করেন নি। একজনের নিকট হতে আটককৃত স্বর্ণ যা মূলত বাজেয়াপ্ত যোগ্য তা আপনি ভুয়া অধিক যাত্রী সাজিয়ে বা ৪-৫ জনের নিকট ছাড় প্রদান করেন। এভাবে সিফাত-ই- মরিয়ম ফ্যাসিবাদ সরকারের স্বর্ন চোরা চালানকারী সিন্ডিকেটে অন্যতম একজন সদস্য একটি বিষয়ে এখানে তুলে ধরা হলোও অনুরুপভাবে অসংখ্য স্বর্ন চোরা চালান খালাস করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের সময় শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। যার ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি হয়েছে। উল্লেখ্য যে, আপনি বদলি হবার পর জাল স্বাক্ষর ধরা পরায় বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিবি এবং এসবিকে ডেপুটি কমিশনার আলী রেজা হায়দারের স্বাক্ষরে পত্র প্রদান করা হয়। সিফাত-ই-মরিয়ম ঢাকায় উত্তরায় দুইটি ফ্ল্যাট রয়েছে, বসুন্ধারা আবাসিক এলাকার এ ব্লকে একটি বাড়ি ও সি ব্লক ১০ রোডে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, মোহাম্মদপুর কাটাসুরে একটি ছয় তলা বাড়ি রয়েছে, যমুনা ফিউচার পার্কে দুই টি দোকান আছে ও গাজীপুর টঙ্গী তে একটি বাড়ি আছে। এছাড়া নামে বেনামে ব্যাংকে টাকা রয়েছে ও অঢেল সম্পদের পাহাড় রয়েছে। এ বিষয়ে সিফাত-ই-মরিয়ম, ডেপুটি প্রযেক্ট ডাইরেক্টর এন এস ডব্লিউ, ঢাকা বলেন ঢাকা কাস্টমস্ হাউসের বিচার শাখায় দুর্নীত হয় ও দুর্নীতির জায়গা তবে আমি দায়িত্ব কালে কোন দুর্নীতি করিনি আমি শাখা জায়গা স্বল্প ছিল আমি সেটা বড় করেছি আরও বলেন কাজ করলে ভূল হতে পারে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর