শিশু ধর্ষণ মামলায় দাউদ আলীর দোষ প্রমাণ, আদালতের রায় ঘোষণা
মানব কথা: মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
রোববার দুপুরে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানিয়েছেন।
দণ্ডিত দাউদ আলী মেহেরপুর শহরের তাঁতিপাড়ার কাসেদ আলীর ছেলে। সাজার পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছেন বিচারক। অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৯ জুন রাতে মেহেরপুর শহরের বাসার বাইরের ১১ বছরের এক শিশু রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। এ সময় প্রতিবেশী দাউদ আলি তাকে বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাসায় নিয়ে যায় এবং একটি কক্ষে ঢুকিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
খোঁজাখুঁজির পর পরদিন সকালে দাউদের বাড়ি থেকে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেন।
পিপি মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ‘‘শিশু ধর্ষণের ঘটনায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি বিচারাধীন থাকাকালে আদালত ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা করেন।’’
ভিকটিম শিশুটি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারার জবানবন্দিতে ধর্ষণের বর্ণনা দেন। একইভাবে আসামিও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ঘটনার দায় স্বীকার করে।
আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং শিশুর ২২ ধারার জবানবন্দি পর্যালোচনা করে দাউদ আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এ কারণে বিচারক তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন বলে জানান মোস্তাফিজুর রহমান।

















