দ্রুত বর্জ্য অপসারণই ডিএসসিসির প্রধান অগ্রাধিকার: প্রশাসক
মানব কথা:ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে দ্রুত বর্জ্য অপসারণই সংস্থাটির এক নম্বর অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়লে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকার চেহারা পরিবর্তন করা সম্ভব। বুধবার নগর ভবন অডিটোরিয়ামে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে কষ্টসাধ্য কাজটি করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের নিরলস পরিশ্রমেই নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে। নাগরিকদের সচেতনতা ও তাদের আন্তরিকতায় আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকার দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তিনি আরও বলেন, বাসাবাড়ির বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থায় ওয়ার্ডভিত্তিক টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত সময়ে ময়লা অপসারণ না হওয়া এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিবেচনায় আগামীতে বর্তমান ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে কি না, তা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।প্রয়োজনে নতুন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালুর কথাও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।
এবারের ঈদুল আজহায় স্বল্প সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, দ্রুত বর্জ্য অপসারণের কারণে নগরবাসী দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে।পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যে এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে হেলথ কার্ড দেওয়া হয়েছে, যা ধাপে ধাপে ছয় হাজারে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









