হত্যা মামলার আসামি পালানোর ঘটনায় সাভারে দুই এএসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার

সময়: 4:43 am - June 23, 2026 |

মানব কথা:সাভারের ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়িতে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি পালানোর ঘটনায় দুই এএসআই ও একজন কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।শাস্তির মুখোমুখি হওয়া তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন—- সাভার মডেল থানার ভাকুর্তা ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম, এএসআই খায়রুল আলম ও কনস্টেবল তোফায়েল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারনামীয় আসামি এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আশাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভাকুর্তা ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু বিপত্তি ঘটে দুপুরে। ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের চরম গাফিলতি ও উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে আকস্মিকভাবে দৌড়ে পালিয়ে যান আশাব উদ্দিন। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পুলিশের চোখের সামনে দিয়েই হাওয়া হয়ে যান এই হত্যা মামলার আসামি। এরপর চারদিকে শোরগোল পড়লেও ততক্ষণে আসামি উধাও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সরষের ভেতর ভূত বা কর্তব্যে অবহেলা, যাই হোক না কেন, আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ মেলায় দুই এএসআই এবং একজন কনস্টেবলকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামি আশাব উদ্দিনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে, খুব দ্রুতই তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হবে।এদিকে, খোদ পুলিশ ফাঁড়ি থেকে দিনদুপুরে হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী বাহিনীর এমন ‘অসতর্ক’ ভূমিকা নিয়ে সাভারজুড়ে এখন চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর