আশুরার শিক্ষা শান্তি, ন্যায় ও সহমর্মিতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মানব কথা:পবিত্র আশুরা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। আশুরা আমাদের শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়।বৃহস্পতিবার (৯ মহররম) পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত হয় পবিত্র আশুরা। ইসলামের ইতিহাসে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি শুধু শোক ও স্মরণের দিন নয়; বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তিনি বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। যুগে যুগে এ ঘটনা মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। তারেক রহমান বলেন, প্রায় চৌদ্দশ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবার ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদতের মহান মর্যাদা লাভ করেন। তাঁর আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত করেছে। তিনি আরও বলেন, আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে হবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে কারবালার ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।









