গণপূর্ত অধিদপ্তরের কোটিপতি দুই সহকারী প্রকৌশলীকে লটারীতে আবারও ঢাকা পদায়ন চুড়ান্ত।
মানব কথা:গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকার গুরুত্বপূর্ন ডিভিশনগুলোতে ছাত্রলীগ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগনেতা, টেন্ডার বানিজ্যে জড়িত থেকে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন কয়েকজন সহকারী প্রকৌশলী। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দৈনিক মানব কথার অনুসন্ধানে জানা যায়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে বদলী আতঙ্ক বিরাজ করছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের,এমপি তার মন্ত্রণালয়ে দূর্নীতি রোধের একশন প্ল্যান হিসাবে বদলী বাণিজ্য বন্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার দৃড়তার কারনে উপ সহকারী প্রকৌশলীদের বদলী কার্যক্রম লটারীর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তারই ধারাবাহিতায় সহকারী প্রকৌশলী ও তদূর্ধ কর্মকর্তাদের বদলীও লটারীর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে মর্মে জানা যায়। গণপূর্ত অধিদপ্তরের কেবল তদবীরবাজ অসৎ কর্মকর্তারা ছাড়া সকল নিরীহ ও সৎ কর্মকর্তাগন লটারীর মাধ্যমে পদায়নের এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। গত ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের আমলে বিসিএস ক্যাডার বনে যাওয়া ছাত্রলীগের দূর্বৃত্ত কর্মকর্তাগণ ঢাকার গুরুত্বপূর্ন ওয়ার্কিং ডিভিশনে পোস্টিং বহাল রাখতে টাকার বস্তা নিয়ে তদবীর করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে নানা ধরনের ফন্দি ফিকির করে এসব কোটিপতি ক্লাবের কর্মকর্তাদের নাম লটারীতে ঢাকার বাক্সে রাখেন। যার ফলোশ্রুতে গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে কোটিপতি দুই সহকারী প্রকৌশলী ঢাকায় বদলীর বাক্সে নাম দিয়ে তাদের ঢাকার দুই ওয়াকিং ডিভিশনে দুই জনের নাম ওঠে। চলতি সপ্তাহে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের ঢাকায পদায়ন চুড়ান্ত হবে।
এখন প্রশ্ন হলো এই দুই সহকারী প্রকৌশলী দির্ঘদিন ঢাকা থাকার পর একজন চাকুরি শুরু হতে অধ্যবধি ঢাকা থাকার পরও তাদের নাম কেন ঢাকার বাক্স রাখা হলো তাদের লিষ্ট করে শুরুতেই ঢাকার বাহিরে পদায়ন করবে এবং ঢাকার বাহিরে যারা আছেন তারা ঢাকা আসবেন এটাই তো সহয হিসাব কিন্তু কিছু অসাধু কর্মকর্তা কারসাজিতে কোটিপতি দুই সহকারী প্রকৌশলী আবারও প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নিতে সফল হতে চলেছেন। এই দুই কোটিপতি সহকারী প্রকৌশলীদের মধ্যে তলিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এঁর সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আতিকুর রহমান। এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চাকুরী জীবনে কখনই ঢাকার বাহিরে যাননি। তিনি এর আগে তিন বছর মতিঝিল গণপূর্ত বিভাগে ছিলেন। এরপরে আওয়ামীলীগ আমলে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এঁর সহকারী প্রকৌশলীর পোস্টিং পান।এরপরে রিজিম পরিবর্তন হলে তিনি তখনকার সমন্বয়কদের দুজনকে হাত করে টিকে যান। এই আতিকুর রহমান আবার আরবরি কালচার গণপূর্ত বিভাগেরও সহকারী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) পালন করছেন, যেন তার চেয়ে গুণধর কাউকে এই তল্লাটে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা। অথচ তিনি ঘোষনা দিয়ে ঘুষ খান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি দরপত্রের চুক্তি করার সময় তাকে নূন্যতম ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়, না হলে তিনি চুক্তি না করে ফেলে রাখেন, দম্ভ ভরে বলে বেড়ান,” আপনি যেই হোন আর যার রেফারেন্সেই কাজ পান আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিতেই হবে, যার কাছে খুশি যেয়ে নালিশ করতে পারেন, আমি তোয়াক্কা করিনা।“
এই সুবাদে চলতি অর্থ বছরে দুই ডিভিশনের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জড়িত থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আতিক। আর একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেরেবাংলানগর গণপূর্ত বিভাগ-২ এর সহকারী প্রকৌশলী প্রান্ত বিশ্বাস টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রান্ত বিশ্বাস ঢাকায় ফের লটারী বাক্সে নাম দিয়ে ঢাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ওয়াকিং ডিভিশন নগর গণপূর্ত বিভাগে প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নিতে সফলের পথে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েক জন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না শর্তে বলেন আমরা হতবাক এটা কি তারা তো ঢাকার বাহিরে বাক্সে নাম থাকবে ঢাকার বাহিরে যে কোন জেলায় পদায়ন পাবেন এটা কেমন লটারী











