১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে নবম পে-স্কেল
মানব কথা: দীর্ঘ এক দশক পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেনশনার এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেল কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হলেও পুরো কাঠামো একসঙ্গে নয়, তিন ধাপে কার্যকর করা হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। প্রথম দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে এবং তৃতীয় ধাপে বিভিন্ন ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেলের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় রেখেই বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, প্রথম ধাপে আগামী অর্থবছরে প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে। এরপর তৃতীয় বছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। প্রায় ১১ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের উদ্যোগে চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নবম পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, আগের মতোই ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হচ্ছে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। জানা গেছে, নতুন পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য আগামী বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হতে পারে। আর পুরো কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনার রয়েছেন। নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন









