‘জুলাইকে কটাক্ষকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চাই’—আবিদুল ইসলাম খান

সময়: 8:34 am - July 5, 2026 |

মানব কথা:ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের সাবেক ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ অভ্যুত্থানকে কটাক্ষ বা অস্বীকারের চেষ্টা করা হলে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় আবিদুল ইসলাম খান বলেন, “জুলাইকে যারা কটাক্ষ করতে চাইবে, অস্বীকার করতে চাইবে কিংবা বিভিন্ন ভাষা ব্যবহার করে জুলাইকে অবহেলিত করতে চাইবে, তাদের জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলতে হবে।” একই সঙ্গে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে কোনো ধরনের অবমাননা বা বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান না হলে তিনি আজ স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ পেতেন না। তার ভাষায়, “জুলাই ব্যর্থ হলে হয়তো আমাদের হাড্ডি-মাংসও খুঁজে পাওয়া যেত না।”

আবিদুল ইসলাম আরও বলেন, তার কাছে দল বা সংগঠনের চেয়ে বাংলাদেশ বড়। দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্যই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থে এ সনদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করেন তিনি। টকশোতে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে আবিদুল ইসলাম বলেন, তিনি সুযোগ পেলেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত করতে যান। কারণ, তাদের আত্মত্যাগ তিনি নিজ চোখে দেখেছেন এবং তাদের জায়গায় নিজেও প্রাণ হারাতে পারতেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদেশে অবস্থানরত পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।আবিদুল ইসলাম বলেন, “একাত্তর যেমন বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি চব্বিশের জুলাইও রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।” তিনি মনে করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় সরকার ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর