নববর্ষের শোভাযাত্রার নতুন নাম, ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
মানব কথা: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, মঙ্গল বা আনন্দ নামে নয় এবার ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রা উদযাপিত হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এর আগে গত ২৯ মার্চ এক সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নববর্ষ উদ্যাপনকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বিস্তৃত আয়োজন গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের বাণীসহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে বর্ষবরণ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন; ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান; সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ; সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখী র্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা আয়োজন; বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কর্মসূচি; সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন; শিশু একাডেমির মাধ্যমে শিশুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম; বিসিকের উদ্যোগে বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হবে।
এর পাশাপাশি কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে বিশেষ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এসব আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করা হবে।
সভায় জানানো হয়, কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সব নাগরিককে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।










