নাসির-তামিমার দৃষ্টান্তমূলক সাজা চাইলেন বাদীপক্ষের আইনজীবী
মানব কথা:অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে মামলার রায়ের দিন আগামী ১০ জুন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ দিন নির্ধারণ করেন।
রায়ের দিন ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, “নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে এ মামলায় যদি সাজা হয়, তাহলে সমাজে ব্যভিচার, পরকীয়া, সংসার রেখে চলে যাওয়া এবং ডিভোর্স না দিয়ে অন্যত্র সম্পর্ক করার মতো ঘটনা কমে আসবে। কয়েকটি মামলায় দৃষ্টান্তমূলক সাজা হলেই সমাজে একটি শক্ত বার্তা যাবে।” তিনি আরও বলেন, “এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী মামলা। কারণ সাধারণত স্ত্রী অন্যত্র চলে গেলে পুরুষরা সামাজিক লজ্জা বা সংকোচের কারণে আদালতে আসতে চান না। কিন্তু এই মামলার বাদী সমাজে একটি বার্তা দিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন, যাতে কেউ অপরাধ করেও পার পেয়ে যেতে না পারে।” এর আগে গত ১৬ এপ্রিল মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আদালত এ মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব হাসান ও তামিমার বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তামিমা পেশায় কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে নাসির হোসাইন ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি সামনে আসে। বাদীর অভিযোগ, বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থাতেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ। এ ঘটনায় তিনি ও তার কন্যা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার সামাজিক মানহানি হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।









