ট্রাক, বাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৬ জেলায় নিহত ২৫
মানব কথা:দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল ১০টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ঈদযাত্রার মধ্যেই ভয়াবহ এসব দুর্ঘটনায় বিভিন্ন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকায়। সোমবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় রডবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন। নিহতরা সবাই ট্রাকে চেপে ঈদ উপলক্ষে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন। নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার গাহন মোড় এলাকায় ড্রামট্রাকের চাপায় অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। রোববার নজিপুর-ধামইরহাট সড়কে এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান আবু হাসান ও তরিকুল ইসলাম। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্রাকের সংঘর্ষে মো. আলী হোসেন নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, সামনে থাকা ট্রাকটি হঠাৎ ব্রেক করলে অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়।গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় নিহত হয়েছেন সাবেক জজ এম এ আউয়াল সরকার। রোববার বিকেলে গাইবান্ধা জজকোর্ট থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এদিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. হোসেন নামে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোররাতে দোগাছি ও সমষপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে যমুনা সেতুগামী স্ট্যাক ইয়ার্ড বাইপাস সড়কে বালুবোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন মোটরসাইকেল চালক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় অজ্ঞাত একটি যানবাহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও তার শিশু কন্যা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আনিছুর রহমান রংপুরে ব্র্যাকে কর্মরত ছিলেন।পৃথক দুর্ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনাগুলোর কারণ অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









