প্রধানমন্ত্রীর এক সিদ্ধান্তে সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা

সময়: 7:07 am - July 5, 2026 |

মানব কথা:ব্যয় সংকোচনের নীতির অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজ বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আপ্যায়ন ব্যয়েও উল্লেখযোগ্য কাটছাঁট আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।প্রতিবছর বাজেট পাসের দিন রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। তবে এবার ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে সেই আয়োজন বাতিল করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আগের সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন খাতে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো। এর বাইরে অতিরিক্ত আরও ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা খরচের তথ্যও পাওয়া গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাবার সরবরাহ করত। আগের সরকারের সময়ের এ খাতের বিপুল অঙ্কের বকেয়া বিল বর্তমান সরকারকে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তির পর জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে বাজেট পাস করে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান আপ্যায়ন ভাতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এছাড়া দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আপ্যায়ন বাবদ প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।এদিকে বাজেট পাসের দিন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, সকাল পৌনে ১০টায় সংসদে এসে প্রধানমন্ত্রী অধিবেশনকক্ষে উপস্থিত থাকেন এবং বাজেটের মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোটগ্রহণসহ আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে অংশ নেন। বিরতির সময়ও তিনি দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: বাসস

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর