দেশত্যাগের শঙ্কা ও দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবির
মানব কথা:পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে ধানমন্ডি সাবডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ছিলেন ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে কয়েকশত কোটি টাকার ভুয়া বিল প্রদান করেছেন পিয়ারু সর্দারের নামে তখন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহ আলম ফারুক চৌধুরী যিনি বর্তমানে দেশ ত্যাগ করে পালিয়েছেন কানডা কিন্তু তার অন্যতম সহযোগী তখনকার ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের আমলে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বিল প্রদান করে এখন রাশেদ কবির বহাল তবিয়তে পাবনা গণপূর্ত বিভাগ লুটপাট ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছেন হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন যে কোন সময়ে রাশেদ কবিরও দেশ ত্যাগ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক চাকরিচ্যুত উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করায় বিপাকে পড়েছেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী। পরে টাকা ফেরত চেয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চিঠির ভিত্তিতে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে চিঠি দেন অর্থ ছাড় করা নির্বাহী প্রকৌশলী। দপ্তরসংশ্লিষ্ট নথিতে দেখা যায়, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. শাহীন উদ্দিন ও মো. ফজলে হক অসদাচরণের অভিযোগে দীর্ঘদিন সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। পরে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পৃথক আদেশে তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। এরপর শাহীন উদ্দিন বকেয়া বেতন-ভাতার আবেদন করলে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির তা সুপারিশসহ জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসে পাঠান। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর শাহীন উদ্দিনকে ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৪২ টাকা পরিশোধ করা হয়।
এখানেই শেষ পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পে রিমেইনিং ওয়ার্কে দরপত্র আহবান করে কোটি কোটি টাকা সরকারি আর্থিক অপচয় করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে জুন মাসে ৬০-৭০ কোটি টাকার কাজ না করিয়ে অগ্রিম বিল দিয়েছেন। এ বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির কাছে তথ্য চাইলে তিনি নানা তালবাহানা দেখিয়ে গড়িমসি করছে। পরবর্তীতে অফিস সূত্রে জানা যায় যে শাহাদত নামে ঠিকাদার কে ৬০-৭০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন না করে অগ্রিম বিল পরিশোধ করে জুন মাসে ৫% কমিশন নিয়েছেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর ও মাফিয়াখ্যাত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির। এই ঘটনা পাবনা গণপূর্ত বিভাগের রুপপুর প্রকল্পের বালিশ কাণ্ড হার মানিয়ে দিয়েছেন বলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক প্রকৌশলী দৈনিক মানব কথার নিজস্ব প্রতিবেদক জানান। পাবনা গণপূর্ত বিভাগের জুন মাসের পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের বিল সহ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিশোধিত বিলের কপি দেখলে ও বাস্তবে কাজ যাচাই করলে প্রমান পাওয়া যাবে। কারণ ৬০-৭০ কোটির অগ্রিম বিলের কাজ তিন মাসের আগে বাস্তবায়ন করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। এ বিষয়ে বুয়েটের প্রফেসর এ কে এম আক্তার হোসেন বলেন ৬০-৭০ কোটি টাকার ভবন নির্মান কাজের অগ্রিম পরিশোধিত বিল প্রদান করলে সেই কাজ সমতা করতে চার মাসের আগে কোন ভাবেই একটি জেলা শহরের পক্ষে সম্ভব নয়। এক বছর অতিবাহিত হলেও তথ্য অধিকার আইনে চাহিত তথ্য অদ্যবধি প্রদান করেন নি।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাপন অমান্য করে মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান আইডি নম্বরঃ Id.no.1297074 Id.no. 1396658 Id.no.1295473 Id.no.1295309 Id.no.1286844 Id.no.1283767 Id.no.1286240 উক্ত কাজ গুলি জুন মাসের ১৭ তারিখ ওপনিং দেখিয়ে ও ১৪ তারিখ ওপনিং দেখিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে কাজের বিল ২৩ জুন ২০২৬ দিয়েছেন এটা কিভাবে সম্ভব মাত্র পাচ ও সাত দিনের মধ্যে কোটি কোটি কাজ দরপত্র মূল্যায়ন ও কাজ সমাপ্ত মানে রাশেদ কবিরের পুরনো সিন্ডিকেট বজায় রাখতে অগ্রিম বিল প্রদান করা তার স্বভাব চলতি জুনে বিভিন্ন প্রকল্পে কোটি কোটি অগ্রিম বিল প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাবনা নাসিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সমাপ্ত কাজে রিমেইনিং ওর্য়াকের নামে সরকারের কোটি টাকা লোপাট করেছেন। সাবেক ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহ আলম ফারুক চৌধুরী দৈনিক মানব কথা পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল দেশ ত্যাগ নিশেষজ্ঞা প্রদান করা প্রয়োজন তার কিছু দিন পর শাহ আলম ফারুক চৌধুরী দেশ ত্যাগ করে কানডা চলে যান এখন তার অন্যতম সহযোগী মোঃ রাশেদ কবির যে কোন সময় দেশ ত্যাগ করার আশঙ্কা রয়েছে। কারন রাশেদ কবির হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তাই দেশ ত্যাগ করার সম্ভবনা রয়েছে তাকে ধরলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের অনেক কর্মকর্তার নাম বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাশেদ কবির হোয়াটস্ অ্যাপের মাধ্যমে ম্যাসেজ দিয়ে বক্তব্য কথা জানিয়ে তিনি কোন বক্তব্য প্রদান করেন নি।










