দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

সময়: 9:28 am - August 27, 2026 |

মানব কথা:সরকারের ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা ১৯ বছর আগের ১৫টি মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় দেন। একই সঙ্গে এসব মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ

২০০৭ সালের মার্চে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রি করা হয়েছে।২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এসব মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি করে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্রে আরও ১৪ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। পরে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৫টি মামলায় সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে বিচার চলাকালে তিন আসামির মৃত্যু হয়েছে। রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস

মির্জা আব্বাস বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন আগে তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছিলেন, তিনি এখন অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন।গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে মির্জা আব্বাসকে ঢাকার বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।এরপর ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়।চিকিৎসকদের পরামর্শে পরবর্তী সময়ে ফিজিওথেরাপির জন্য তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর