ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিপিটির মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক:ফ্যাসিস্টের রেখে যাওয়া বিতর্কিত ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন দিয়ে নাগরিকদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে বিপিটি
আজ ২২ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ১১ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি) এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া বিতর্কিত আইন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের আওতায় নাগরিকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ সভা করেছে বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি)।
সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুর নবীর সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী এটর্নি জেনারেল আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথি হিসেবে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন,
সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুর নবী বলেন, গত ১ মাসে ছয়জন নাগরিককে শুধু সোস্যাল মিডিয়ায় সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার কোন স্বাভাবিক ঘটনা নয় এটা সরকারের আগামী দিনে নাগরিকদের কন্ঠরোধের প্রচেষ্টার পূর্ব আলামত।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী পরিষদের অনেকেই হাসিনার ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্টের দ্বারা নিষ্পেষিত। সরকারের অনেকেই গত ১৭ বছর বিদেশে পালিয়ে বেড়িয়েছেন। তারা সে সব দেশে নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকার সম্পর্কে জানেন এবং তারা ফ্যাসিবাদের সময় সেই ফ্রি স্পিচের সুযোগ গ্রহণ করেছেন। অথচ আজকে তারা ক্ষমতায় এসে নাগরিকদের সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা প্রকারান্তরে তাদের হীনমন্যতা ফুটে উঠে। আমরা অনতিবিলম্বে এহেন কাজে জড়িত অতি উৎসাহীদের থামাতে সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আহসানিয়া মিশন কলেজের সহকারী অধ্যাপক রায়হান চৌধুরী, জুলাই সংগঠক আরিফ বিল্লাহ, সাবেক ছাত্রনেতা জামাল উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধ পরিবারের সন্তান এডভোকেট সামসুল আলম, সাবেক ছাত্রনেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিন, বিপিটির আহ্বায়ক সদস্য সিএনএফ ব্যবসায়ী মোরশেদ আলম, বিপিটির মিডিয়া সেলের সদস্য জাফর আহমেদ প্রমুখ।













