শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধাপে ধাপে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীতের পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী
মানব কথা:শিক্ষা খাতে সরকারি বরাদ্দ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইউনেস্কোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে শিক্ষা খাতে জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ বরাদ্দের সুপারিশ করেছে। অতীতে দেশের শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ, যা বর্তমানে ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর তা পর্যায়ক্রমে ৪ শতাংশ এবং পরে ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য বিতর্ক, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে একাডেমিক কাঠামোয় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৭ সালে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার শুরু করা হবে এবং ২০২৮ সালে নতুন ও হালনাগাদ সিলেবাস চালু করা হবে।
অতীত শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা রাজনৈতিক পরিচয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন, যা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য নেতিবাচক ছিল। তবে বর্তমানে সে অবস্থা থেকে দেশ অনেকটাই উত্তরণ ঘটিয়েছে।বর্তমান সরকারের অগ্রগতির প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শিক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সবাই নিরলসভাবে কাজ করছেন। প্রায় প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মানোন্নয়ন ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে পুরস্কার ও স্বীকৃতি ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করা হবে।









