পদত্যাগপত্র জমা দিলেন ঢাবি ভিসি নিয়াজ আহমদ খান
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় পদত্যাগপত্র জমা দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
রোববার সকালে তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ জানান।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি-মাতৃভাষায় শিক্ষার দাবি
গণমাধ্যমকে তিনি জানান, আজ সকাল ১০টায় তিনি মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এখনও তাকে কিছু জানানো হয়নি।
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর পরিবর্তনের হাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও পরিবর্তন আসে। ওই বছর ২৭ অগাস্ট ভিসির দায়িত্ব পান ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
নির্বাচনের দুদিন আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা বলেছিলেন তিনি।
অধ্যাপক নিয়াজ সেদিন বলেছিলেন, “আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।”
তবে এও বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য ‘সরকার চাইলে’ আরো কিছুদিন দায়িত্ব চালিয়ে যেতে তার আপত্তি নেই।
১৯৬৬ সালে জন্মগ্রহণ করা নিয়াজ আহমদ খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার পর ইন্সটিটিউট অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন।
১৯৯৬ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস, সোয়ানসি থেকে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিষয়ে পিএইচডি করেন তিনি। পরে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস, থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনটি পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি নেন।
এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক নিয়াজ ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপ উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্বও পালন করেছেন।
ইউএনডিপি, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) বিভিন্ন পদে চাকরি করার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে জাতিসংঘ, বিশ্ব ব্যাংক, ইউএসএআইডি এবং বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
















