‘ভেনেজুয়েলা কারও উপনিবেশ নয়’—মাদুরোর মুক্তির দাবিতে কারাকাসে বিক্ষোভ
মানব কথা: ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে রাজধানী কারাকাসে বিক্ষোভ করেছেন তার সমর্থকরা। রোববার অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর হাতে আটক হয়ে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বন্দি থাকা নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, মাদুরোপন্থি আধাসামরিক সদস্য এবং মোটরবাইক আরোহীদের একটি দলও বিক্ষোভে যোগ দেয়। বিক্ষোভকারীদের হাতে লাল, নীল ও হলুদ রঙের ভেনেজুয়েলার জাতীয় পতাকা দেখা যায়।
লাল জামা পরা এক বিক্ষোভকারীর হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘আমাদের প্রেসিডেন্টকে মুক্তি দিন’। তার পোশাকে মাদুরোর পূর্বসূরি ও রাজনৈতিক গুরু প্রয়াত সমাজতান্ত্রিক নেতা হুগো চাভেজের ছবি ছিল।
আরেকটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘ভেনেজুয়েলা কারও উপনিবেশ নয়’। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে, যেখানে তিনি বলেন, একটি অনির্দিষ্ট অন্তর্বর্তী সময়ে ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে।
সোমবার নিউইয়র্কের একটি আদালতে নিকোলাস মাদুরোকে হাজির করার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে কথিত কোকেন পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ‘মাদক সন্ত্রাসবাদ’ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ দাবি করেছেন, মাদুরোকে আটক করার সময় তার নিরাপত্তা দলের ‘একটি বড় অংশকে’ ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। একই ঘটনায় সামরিক সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন বলে তিনি জানান, তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
অন্যদিকে, চিকিৎসকদের একটি দল এএফপিকে জানিয়েছে, ওই ঘটনায় প্রায় ৭০ জন নিহত এবং অন্তত ৯০ জন আহত হয়েছেন।
















