নারী সংরক্ষিত আসনে আলোচনায় ললিতা গুলশান মিতা
মানব কথা: নারী সংরক্ষিত আসনে বিএনপি থেকে আলোচনায় যার নাম উঠে আসলো তিনি হলেন মোছাম্মৎ ললিতা গুলশান মিতা, ললিতা গুলশান মিতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক।
প্রশ্ন করতে পারেন কে এই ললিতা গুলশান মিতা? তিনি মূলত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনীতির হাথে খড়ি।
১৯৯৫ সালে ইশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ললিতা গুলশান মিতা ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন।
২০০৭ সালে উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে আরও সক্রিয়ভাবে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তরান্বিত করেন।
বর্তমানে ললিতা গুলশান মিতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পাবনা জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সদস্য ও ঈশ্বরদী উপজেলা মহিলা দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কথা বলে রাখি যে, গত ১৬-১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়। ১/১১ থেকে শুরু করে স্বৈরাচার হাসিনা পতনের প্রতিটি আন্দোলনে ললিতা গুলশান মিতার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো অস্বীকার্য।
বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিটি কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণ ছিল দেখার মতো। কখনো কখনো না খেয়ে সংসারের মায়া ত্যাগ করে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের প্রতি কর্মসূচি পালন করেন। যার কালজয়ী স্বাক্ষী কেন্দ্রীয় মহিলা দল।
এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্যদিকে ঢাকা-১৩ আসনের ববি হাজ্জাজ এর নির্বাচনী প্রচারণার উপ-কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ললিতা গুলশান মিতা ২০১০ থেকে ২০১৭ সালে শের-ই-বাংলানগর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি, ২০০৮ ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও ঈশ্বরদী উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পদাক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মিতা মূলত একজন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মিতার স্বামীও একজন বিএনপি পরিবারের সন্তান। সেই সূত্রে তার স্বামী রাজনীতি করতে অনেক উৎসাহ দিতেন। রাজনীতির পাশাপাশি মিতা একজন মানবাধিকার ও সমাজকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
গুলশান মিতা ঈশ্বরদী বাঁশের বাঁধ ডিগ্রী অনার্স কলেজের সভাপতি সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে স্বর্ণপদক সহ অন্যান্য একাধিক পদকে ভূষিত হন। কর্মহীন নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন।
সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সুবহান শিকদারের পুত্রবধু মিতা, মিতার স্বামী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা এবং ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে গুলশান মিতার স্বামী আলমগীর কবির বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
এক কথায় পাবনা ঈশ্বরদীর সাধারণ জনগণ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকর মনে করছেন যে, গুলশান মিতার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশগ্রহণসহ পারিবারিক ঐতিহ্য বিচার বিশ্লেষণ করলে ললিতা গুলশান মিতা একজন সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থীর দাবিদার। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন ললিতা গুলশানের মতো সাহসী ও প্রজ্ঞাবান নারী নেত্রীকে বিএনপি মূল্যায়ন করলে পাবনা সিরাজগঞ্জের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নারী রাজনীসহ নারী অধিকার শক্তিশালী হবে।
গত ১৬-১৭ বছর গণতান্ত্রিক মুক্তির আন্দোলন ও স্বৈরাচার আন্দোলনের ভূমিকার কথা মাথায় রেখে দলের হাই কমান্ড সুচিন্তা করে নারী সংরক্ষিত আসনে ললিতা গুলশান মিতাকে মূল্যায়ন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
















