বৃহত্তর খুলনা সমিতির ১৬তম কার্যনির্বাহী সভা: ভবন নির্মাণ ও ফান্ড রেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
মানব কথা: বৃহত্তর খুলনা সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৬তম সভা রাজধানীর মিরপুরের ৭/৩/এ বড়বাগস্থ সুন্দরবন ভবনে গতকাল শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি জনাব এম এ সালাম। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ সুলতান আহমেদ এবং সভা সঞ্চালনা করেন খান রবিউল ইসলাম রবি।
সভা শুরুতেই সাধারণ সম্পাদক ১৬তম সভার নোটিশ ও ১৫তম সভার রেজুলেশন পাঠ করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিতে পূর্ববর্তী সভার রেজুলেশন অনুমোদিত হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। কাজী সিদ্দিকুর রহমান বর্তমান কমিটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবন নির্মাণের জন্য পৃথক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রস্তাব দেন এবং ভবিষ্যৎ আয়োজন হিসেবে “প্রেসিডেন্ট ডিনার” আয়োজনের সুপারিশ করেন।
হাফেজ সুলতান আহমেদ বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের সম্মানে “সম্বর্ধনা ও সুধী সমাবেশ” আয়োজনের প্রস্তাব দেন। দপ্তর সম্পাদক লায়ন খান আকতারুজ্জামান ভবন নির্মাণে আর্থিক সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাহী সদস্য সরদার ইলিয়াস হোসেন মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পরবর্তী সভায় উপস্থিত করার প্রস্তাব দেন এবং সংগঠনের ঐক্য ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। মহিলা সম্পাদিকা রেবেকা সান ইয়াত ফান্ড রেইজিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে “খুলনা সুধী সমাবেশ” বা “গালা নাইট” আয়োজনের প্রস্তাব করেন।
সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম অনুদানদাতাদের সম্মাননা স্বরূপ ভবনের দেয়ালে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য নির্দিষ্ট অনুদানসীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভবন নির্মাণের উদ্বোধনী তারিখ নির্ধারণ করে আগাম ঘোষণা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নির্বাহী সদস্য শরিফুল ইসলাম রুবেল অনুষ্ঠানে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সম্মাননা প্রদান এবং কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এজিএম আয়োজনের প্রস্তাব দেন। নির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন মাহমুদ মামলার গুরুত্ব তুলে ধরে আইনজীবীকে পরবর্তী সভায় উপস্থিত থেকে ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানান।
কোষাধ্যক্ষ মোঃ আফসার আলী জানান, সম্ভাব্য অনুদানদাতাদের তালিকা তৈরি করে তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাসুদ ভবনের পরিকল্পনার বিস্তারিত সদস্যদের সামনে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
এ্যাডভোকেট কে এম ফুরকান আলী অনুষ্ঠানের জন্য ৫ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন এবং সদস্যদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অনুদান গ্রহণের সুপারিশ করেন।
সভাপতি এম এ সালাম তার বক্তব্যে জানান, পরবর্তী সভায় ভবনের নকশা ও পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করা হবে। তিনি নিয়মিত সভায় অনুপস্থিত সদস্যদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন এবং এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই কমিটিকে দায়িত্ব প্রদান করেন।















